
বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে আছে। রাজনৈতিক জীবনে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি আজ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছেন- এমন মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তাঁকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন সিদ্ধান্তে তোফায়েল আহম্মেদের অবদান রয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের নানা সিদ্ধান্ত দেশের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে এনেছে বলেও অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। তবে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলীয় অবস্থান ও সময়ের বাস্তবতায় কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তকেও তাঁকে সমর্থন করতে হয়েছে-এ বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।
অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসা, বিভাজন ও সংঘাতের সংস্কৃতির কারণে বহু রাজনীতিবিদ যথাযথ সম্মান পাননি। রাজনৈতিক সহিংসতায় বহু পরিবার হারিয়েছে তাদের প্রিয়জনকে। কেউ হয়েছেন পিতৃহারা, কেউ সন্তানহারা, আবার কেউ হারিয়েছেন জীবনসঙ্গীকে। তবুও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব বারবার সেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাঁধেই এসে পড়েছে।
সচেতন মহলের একাংশ মনে করছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদের দীর্ঘ অবদানকে সম্মান জানানো উচিত। ব্যক্তিগত ও দলীয় বিরোধের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাঁকে মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।
তারা বলেন, “রাজনীতিতে ভুল-সঠিকের হিসাব থাকবেই। কিন্তু জীবনের শেষ সময়ে এসে একজন মানুষের প্রতি ঘৃণা নয়, সহমর্মিতা ও সম্মান প্রদর্শনই হওয়া উচিত।”
সবশেষে দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, সকল বিভেদ ও প্রতিহিংসা ভুলে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা উচিত। মহান আল্লাহ যেন -কে নেক হায়াত দান করেন-এমন দোয়াও করেন অনেকে।
Leave a Reply