“গাফুরুর রহিম সিফোতে আজিম।
জপিয়া এই নাম
হইবা সফলকাম
তওবা তাসির মর্তুবা অসীম”
শিরোনামে একটি অসাধারণ ভক্তিমূলক সংগীত রচনা করেছেন- বিশিষ্ট গীতিকার বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব উল ইসলাম। তিনি পাঁচ সহস্রাধিক আধুনিক গান রচনা করে বাংলা সাহিত্যের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন। ইতিমধ্যে দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান “আগামী প্রকাশনী” “হাজারো গীতি কবিতা” শিরোনামে তাঁর রচনাকৃত চতুর্থ খন্ড, প্রতিখন্ডে এক হাজার করে চার হাজার গানের চারটি গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। বর্তমানে তাঁর রচনাকৃত আরো একহাজার গান নিয়ে পঞ্চম খন্ডের প্রিন্টিং কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে “আগামী প্রকাশনী” থেকেই ষষ্ঠ খন্ড প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
আলোচিত গানে একজন ভক্ত বা প্রেমিক-সত্তার গভীর আত্মসমর্পণ, প্রার্থনা এবং আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। আল্লাহর গুণবাচক পবিত্র শতনাম নাম “আসমাউল হুসনা” জপা ও স্মরণের মধ্যেই রয়েছে সফলতা, মুক্তি এবং অনন্ত কল্যাণের পথ। এই গানে আল্লাহর পবিত্র শতনাম হৃদয়ে ধারণ করে তিনি নিজেকে পাপ, অজ্ঞতা ও দুঃখের অন্ধকার থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন।

গীতিকার বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব উল ইসলাম
গানের দ্বিতীয় অংশে আল্লাহর গুণাবলি- তাঁর করুণা, সৌন্দর্য, মহিমা ও মানবতার প্রতি দয়া- শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়েছে। তাঁর নাম উচ্চারণ মানুষের অন্তরে আলো জ্বালায় এবং ঈমানকে দৃঢ় করে- এই বিশ্বাসই গানের মূল সুর। ভক্ত হৃদয় আল্লাহর প্রেমে আপ্লুত হয়ে তাঁর দরবারে বিনীত প্রার্থনা নিবেদন করা। সর্বশেষে গানের বক্তব্য মানবজীবনের পরম লক্ষ্যকে সামনে রেখে- খোদা ভক্তির মাধ্যমে আখিরাতে মুক্তি লাভ করা।

বিশিষ্ট কন্ঠশিল্পী শেখ জসিম। সংগৃহীত ছবি
গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী শেখ জসিম ও গানটির সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন দেশের প্রথিতযশা সংগীত পরিচালক মোস্তাক আগানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী শেখ জসিম ও গানটির সুর করেছেন দেশের প্রথিতযশা সংগীত পরিচালক মোস্তাক আহমেদ। সঙ্গীতায়োজন করেছেন টফি রেনার। গানটির ভিডিও ধারণ, সম্পাদনা ও ভিডিও পরিচালনা করেছেন ফরিদুল আলম ফরিদ।

সুর ও সঙ্গীত পরিচালক মোস্তাক আহমেদ
শীঘ্রই গানটি ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেইজ জনতা টিভিতে প্রকাশ হতে যাচ্ছে।
]]>এর আগে গত ২০ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ এ আবেদন করেন।
বুধবার (১০ জুন) তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতির আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। কিছু কার্যক্রম আছে, তা শেষ করে আমরা লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করব।
আবেদনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, মামলার বাদী মো. আলমগীর (৬৮) আদালত থেকে তথ্য প্রদানকারী নিলুফা জামান চৌধুরী নীলা চৌধুরীর পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে জানান যে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাদীর বোন নিলুফা জামান চৌধুরী নীলা চৌধুরী, বাদীর ভগ্নিপতি মৃত কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তার ছোট ছেলে শাহরান শাহ্সহ নিউ ইস্কাটন রোডস্থ ইস্কাটন প্লাজা ১১/বি ঠিকানার বাসায় তার ভাগিনা চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান। তখন স্ত্রী সামীরা হক এবং কর্মচারী আবুল তাদেরকে জানান যে, সালমান শাহ ঘুমিয়ে আছেন। তখন তারা তাদের গ্রিনরোডের বাসায় চলে যাওয়ার পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সালমান শাহর বাসা থেকে টেলিফোন করে জানানো হয়, সালমান শাহর যেন কী হয়েছে, তাড়াতাড়ি আসেন। তখন তারা দ্রুত নিউ ইস্কাটন রোডস্থ ইস্কাটন প্লাজা ১১/বি ঠিকানার বাসায় এসে দেখেন যে, সালমান শাহ তার শয়নকক্ষে খাটের উপরে মরার মতো পড়ে আছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তারা সালমান শাহকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিম সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন। অতঃপর মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার প্রাঙ্গণ কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন- সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭)।
এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদী পক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফা জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে।
তখন দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন যে, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামীরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।
সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান।
তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।
মোহাম্মদ আলমগীর এজহারে আরো জানান, সালমানের পিতা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান। সালমানের পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।
মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে, প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
]]>শুটিংয়ের মাঝপথে সিনেমার নায়ক আদর আজাদের ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর বুবলীর ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশিত হয়। ‘পিনিক’ সিনেমাতে শবনম বুবলীকে নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যাবে বলে জানা গেছে। মাতৃত্বকালীন ছুটিত থাকার কারণে সিনেমার প্রচারণায় নেই বুবলী। যদিও মা হওয়ার খবরে শুরু থেকেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন এই অভিনেত্রী।
সিনেমার নির্মাতা জাহিদ জুয়েল জানিয়েছেন, ‘পিনিকের’ গল্পে অ্যাকশন, রোমান্স, সাসপেন্স সবই রেখেছেন তিনি। অল্প কথায় পিনিককে মিস্ট্রি এবং মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার ঘরানার সিনেমা বলেছেন তিনি।
আদর আজাদ বলেন, দারুণ এক ঘোরের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। প্রতিটি চরিত্র একটা ঘোরের মধ্যে থাকবে। এ কারণেই সিনেমার নাম দেওয়া হয়েছে পিনিক। কক্সবাজার ও রামুর যেসব এলাকায় এই সিনেমার শুটিং হয়েছে, সেখানকার দৃশ্যগুলো আগে কেউ দেখেনি। এ কারণে এসব জায়গা শুটিং লোকেশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আশা করছি, দর্শক সিনেমাটি উপভোগ করবেন।
সিনেমাটিতে যুক্ত হয়ে নিজের চরিত্র নিয়ে বুবলী বলেছিলেন, অনেকদিন ধরেই চাচ্ছিলাম এমন চরিত্রে অভিনয় করতে যা দেখে দর্শক চমকে উঠবে। পিনিকে আমার চরিত্র ঠিক এমনই।
আদর আজাদ ও শবনম বুবলী ছাড়া এই সিনেমার অন্য অভিনয়শিল্পীরা হলেন আলী রাজ, ফজলুর রহমান বাবু, আজাদ আবুল কালাম, শিমুল খান, মোমেনা চৌধুরী, মাসুম বাশার, সমু চৌধুরী, শরীফ সিরাজ, আশরাফ কিটু, এল আর খান সীমান্ত, এ কে আজাদ সেতু, নাজনীন শবনম, সানজীদ রহমান খান, নাফিস আহমেদ, আফফান মিতুল, জয়ীতা মহলানবীশ প্রমুখ। প্রযোজনা করেছে ইউরো বাংলা। পরিবেশনায় এআর মুভি নেটওয়ার্ক। সহ-প্রযোজনার দায়িত্বে আছে অথবা এন্টারটেইনমেন্ট।
এর আগে আদর-বুবলীকে জুটি হিসেবে ‘তালাশ’ ও ‘লোকাল’ নামে দুটি সিনেমায় দেখা গেছে। বর্তমানে এই জুটির নির্মিতব্য রয়েছে ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমাটি।

ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের প্রতি ছিলো তার তীব্র আকর্ষণ। একারণে শৈশবেই তিনি সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় অবাধে বিচরণ করতেন। স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণ করে তিনি বরাবরই প্রথম স্থান অধিকার করতেন। তারুণ্যে একনিষ্ঠতা, একাগ্রতা, কঠোর সাধনা এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি সঙ্গীত, জাদুশিল্প ও কৌতুক অভিনয়ে বিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করেন। তিনি বেশ কয়েকটি বাংলা চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও রয়েছে তার সরব পদচারণা। সাংস্কৃতিক দলের প্রতিনিধি হয়ে তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ থেকে দেশান্তরে। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, বাহরাইন, দুবাই, কাতার, জর্ডান, শ্রীলঙ্কা, ভারত এবং নেপালসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেছেন তিনি। বিদেশের মাটিতে সাংস্কৃতিক নৈপুণ্য পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি পেয়েছেন দর্শক-শ্রোতাদের ভূয়সী প্রশংসা। টেলিভিশন এবং মঞ্চের অসংখ্য অনুষ্ঠানে লোকসঙ্গীত পরিবেশন করে তিনি ইতোমধ্যেই সঙ্গীত পিপাসুদের মন জয় করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে সরাসরি সঙ্গীত পরিবেশন করে তিনি পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি।
জন্মদিন উপলক্ষ্যে তার নিজ বাসভবনে স্বজন এবং ভক্তদের নিয়ে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ৫৭তম জন্মদিন উদযাপনের মূহুর্তে প্রিন্স আলমগীর সবার দোয়া এবং আশির্বাদ কামনা করেছেন।
]]>তরুণ নির্মাতা মনজুরুল ইসলাম মেঘ পরিচালিত সিনেমাটির কাহিনী ও প্রযোজনায় রয়েছেন আলিম উল্লাহ খোকন। জীবনের গভীর অনুভূতি ও সামাজিক বাস্তবতাকে সংবেদনশীলভাবে পর্দায় তুলে ধরায় সিনেমাটি দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে।
‘ময়না’র বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজ রিপা, আমান রেজা, কায়েস আরজুসহ আরও অনেকে। বিশেষ করে নাম ভূমিকায় রাজ রিপার অভিনয় দর্শকদের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। তার আবেগঘন ও সাবলীল অভিনয় সিনেমাটিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

ময়না চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাজ রিপা। ছবি: সংগৃহীত
চলচ্চিত্রটি শুধু বিনোদনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সমাজের নানা বাস্তব চিত্র তুলে ধরে দর্শকদের ভাবতে শেখায়। নারীর আত্মত্যাগ, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং জীবনসংগ্রামের গল্প অত্যন্ত মর্মস্পর্শীভাবে উপস্থাপন করায় সিনেমাটি পেয়েছে ব্যাপক প্রশংসা।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ‘ময়না’। ইতালিতে অনুষ্ঠিত ‘গালফ অব নেপলস ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ সিনেমাটি অর্জন করেছে ‘স্পেশাল মেনশন ফিচার ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’। একইসঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া একমাত্র এশীয় চলচ্চিত্র হিসেবেও এটি বিশেষ সম্মান অর্জন করে।
এবার সিনেমাটি প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়, যা দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য আরেকটি বড় অর্জন। আরও গর্বের বিষয় হলো, সিনেমাটির কাহিনীকার আলিম উল্লাহ খোকনকে উৎসবের উদ্বোধনী ও সমাপনী রেড কার্পেট অনুষ্ঠানে ‘ভিআইপি অতিথি’ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে একজন বাংলাদেশি কাহিনীকারের এমন সম্মাননা দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের জন্য নিঃসন্দেহে বিশেষ প্রাপ্তি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ‘ময়না’ কেবল একটি সিনেমা নয়; এটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি, জীবনবোধ এবং মানবিক গল্পকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার একটি সফল প্রয়াস। এমন অর্জন ভবিষ্যতে বাংলা চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঈদকে সামনে রেখে নির্মিত সিনেমাটি নিয়ে বেশ আশাবাদী চিত্রনায়ক মুন্না খান। তিনি বলেন, ‘তছনছ’ তার অভিনয় জীবনের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র এবং শুরু থেকেই দর্শকদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক সিনেমা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তারা। তার প্রত্যাশা, পরিবার নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে এসে দর্শক সিনেমাটি উপভোগ করবেন।
নির্মাতা বদিউল আলম খোকন জানান, ঈদের দর্শকদের রুচি ও চাহিদার কথা মাথায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে ‘তছনছ’।
সিনেমাটিতে থাকছে জমজমাট অ্যাকশন, পারিবারিক আবেগ এবং সামাজিক বার্তার সমন্বয়। তার ভাষ্য, ঈদে দর্শক সাধারণত বড় পরিসরের অ্যাকশনধর্মী সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন, আর সেই ভাবনা থেকেই নির্মিত হয়েছে এই চলচ্চিত্র।
মুন্না খান মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটির কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন কমল সরকার। এতে মুন্না খান ও ববি হকের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার, মিশা সওদাগর, তানভীর তনু, শিবা সানু, সুব্রত, মারুফ আকিব, বড়দা মিঠু ও প্রিয়া অনন্যাসহ আরও অনেকে।
ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির অফিসিয়াল টিজার ও একটি রোমান্টিক গান। প্রকাশের পর থেকেই দর্শক ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে ‘তছনছ’ নিয়ে তৈরি হয়েছে আলোচনা। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, আসন্ন ঈদের সিনেমার তালিকায় আলোচিত সংযোজন হতে পারে ‘তছনছ’।

এ তথ্য নিশ্চিত করে সোহেল খান বলেন, ‘পূবাইলে আমার ঈদ নাটকের শুটিং চলছে। রাতে শুটিং রওনা দেই অটো করে। এমন সময় একটি মাইক্রো এসে সামনে রাস্তা বন্ধ করে মোবাইল, মানিব্যাক সবকিছু ছিনিয়ে নেয়। তিনশো ফিটের রাস্তা সন্ধ্যার পর চলাচলের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ঈদ সামনে রেখে এমন ঘটনায় অনেক লোকসান হয়ে গেল।’
সোহেল খান নিয়মিত নাটক ও মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেন। প্রথমবারের মতো ‘পরী আমার’ নামে সিনেমা নির্মাণ করছেন তিনি।
]]>এ প্রসঙ্গে বিলাশ খান বলেন, এবার দুই কিংবদন্তির সন্তান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। সত্যিকার শিল্পীদের সন্তান শিল্পী সমিতির হাল ধরার কথা ভেবেছেন। তাই সুন্দর শিল্পমনা একটা প্যানেলের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিগত সময় আমি নির্বাচন পেছন থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। তবে এবার নিজেই প্রার্থী হওয়ার কথা ভাবছি।
তিনি আরও বলেন, অনেক শিল্পীই ১৭ বছর মুজিব কোর্ট পরে সরাসরি আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করেছে। নায়ক ফারুক, সাবেক মেয়র তাপসসহ অনেকের প্রচারণায় অংশ নিয়েছে।চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ফারুক ভাইয়ের বাসায় মিশা সওদাগর, জায়েদ খানসহ আরো অনেকেই আমরা গিয়েছি। সেখানে জায়েদ খান ফারুক ভাইকে পরিচয় করে দিয়েছে ভাই বিলাশ বিএনপি করে। অনেকেই দলীয় পরিচয়ে গিয়েছিল। আমরা শিল্পীরা পেশাদার রাজনীতিবিদ না। ব্যক্তিগতভাবে দলে নাম লেখালে সেটা শিল্পী পরিচয়ের বাইরে। জয় চৌধুরী, জায়েদ খান, মিশা সওদাগররা যুবলীগের নিখিলের পক্ষে ভোট চেয়েছে। তারা মুজিব কোর্ট পরেছে, যার ভিডিও এখনো আছে। জয় চৌধুরী আওয়ামী লীগের হয়ে সক্রিয় থাকলেও এখন নিজেকে সাবেক ছাত্রদল দাবি করছে। একসময় ছাত্রদল করতে পারে কিন্তু তারপর কি করেছে সেটা হলো মূল বিষয়। এ ক্ষেত্রে কিন্তু কেউ কিছু বলেনি তাদের। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
এই অভিনেতা বলেন, ৫ই আগস্ট রাতে সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তর ভাই আমাকে ফোন করে বলেন- বিলাশ ভাই কালকে এফডিসিতে যেতে হবে। শিবা শানু ভাইয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে। সেও কালকে আসবে। ৬ই আগস্ট শিবা শানু ভাই আর আমি শিল্পীদের ভিতরে এবং আরো অনেকে- পরিচালক সমিতি, প্রযোজক, নৃত্য পরিচালক সমিতি, বিভিন্ন সংগঠনের লোকসহ কোন অপ্রতিকার ঘটনা যাতে না ঘটে। আমরা সবাই মিলে একটা পরিবেশ তৈরি করেছিলাম। আজকে সেই লেভিং প্লেইং ফিল্ডে সবাই খেলতেছে। আমরা এটাই চেয়েছিলাম। এফডিসি রাজনীতি মুক্ত হোক এখানে শুধু শিল্পীদের কাজ থাকবে আড্ডা হবে।
বিলাশ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য হওয়ার পর বিগত পাঁচবার ভোট দিয়েছি। কখনো নির্বাচন করিনি। এবার আগ্রহ আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। মুক্তি আপা প্রথম আমাকে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছেন। বাপ্পারাজ ও মুক্তি দুই কিংবদন্তির সন্তান। তাদের আলাদা একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে। সবকিছু মিলিয়ে চিন্তা করছি। নির্বাচন না করলেও বাপ্পা-মুক্তি পরিষদের সমর্থন থাকব। জায়েদ খানের সময় এফডিসিতে পুলিশি প্রভাব নির্বাচনে ছিল। এবার যাতে এসব না হয় সেটাই কামনা করি। সুস্থ ও সুন্দর একটি নির্বাচনের প্রত্যাশা করছি।
বিলাশ খান অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমা ‘হিরো ৪২০’, ‘রক্ত’, ‘মনে রেখ’, ‘সুলতানপুর’ ইত্যাদি।মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘জামদানি’ সিনেমাটি।
]]>একসময় বিনোদনের জগৎ ছিল অনেকটাই ভিন্ন। ব্যাটারিচালিত সাদাকালো টেলিভিশন, ক্যাসেট প্লেয়ারে গান শোনা কিংবা প্রিয় অনুষ্ঠান শুনতে রেডিওর সামনে অপেক্ষা- এসবই ছিল নব্বই দশকের মানুষের দৈনন্দিন আনন্দের অংশ। পাড়া-মহল্লায় একসঙ্গে চাঁদা তুলে ভিসিআর ভাড়া করে রাতভর সিনেমা দেখার সেই দিনগুলো আজও অনেকের মনে নস্টালজিয়া হয়ে রয়ে গেছে।
ঠিক সেই সময়েই বাংলা চলচ্চিত্রে আবির্ভাব ঘটে জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ’র। অল্প সময়েই তাঁর অভিনয়, স্টাইল এবং রোমান্টিক উপস্থিতি দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নেয়। তবে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তাঁর আকস্মিক মৃত্যু পুরো দেশকে শোকাহত করে তোলে। প্রিয় নায়কের মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে অনেক ভক্ত চরম আবেগঘন সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন।
সেই সময়ের আবেগঘন প্রেক্ষাপট এবং সালমান শাহ’র এক অন্ধ ভক্তের জীবনের গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘লাভ ৯৬’। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা ইভান মল্লিক। প্রযোজনা করেছে রাইসা ফিল্মস। প্রযোজক মো. জসিম উদ্দিন জানান, দর্শকদের জন্য ভিন্নধর্মী এক আবেগের গল্প তুলে ধরতেই এই আয়োজন।
চলচ্চিত্রটিতে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন আরিয়ান খান ও পূর্ণতা। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিবা সানু, সানজিদা মিলা, তমাল মাহবুব, রেবেকা রউফ, আরমান খান, প্রিয়া, ডিজে সোহেল, রুবেল রানা ও সিমান্ত খন্দকারসহ আরও অনেকে।
সিনেমাটির শুটিং হয়েছে টাঙ্গাইল, পুবাইল এবং সালমান শাহ অভিনীত বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সিনেমার পরিচিত লোকেশনে। নির্মাতার ভাষ্য, নব্বই দশকের আবহ এবং সেই সময়ের অনুভূতি বাস্তবভাবে তুলে ধরতেই এমন লোকেশন নির্বাচন করা হয়েছে।
ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে ‘লাভ ৯৬’। নির্মাণশৈলী ও গল্পের আবেগঘন উপস্থাপনার জন্য বোর্ডের সদস্যদের প্রশংসাও পেয়েছে চলচ্চিত্রটি।
নির্মাতা ইভান মল্লিক বলেন, ‘লাভ ৯৬’ কেবল একটি প্রেমের গল্প নয়; এটি নব্বই দশকের মানুষের স্মৃতি, অনুভূতি এবং সালমান শাহকে ঘিরে কোটি ভক্তের আবেগের প্রতিচ্ছবি।
নব্বইয়ের নস্টালজিয়া আর ভালোবাসার আবহে নির্মিত ‘লাভ ৯৬’ মুক্তির আগেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি করেছে কৌতূহল ও আগ্রহ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ছবিটি দর্শকদের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নেবে।

সম্প্রতি ওয়েব ফিল্মটির ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। এই পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সারার সংসার’-এর মুক্তির ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আকা রেজা গালিব।
আর্তনাদ উপন্যাসে সত্তরের দশকের প্রেক্ষাপট থাকলেও ‘সারার সংসার’ ওয়েব ফিল্মে সময়টি এগিয়ে আনা হয়েছে। চিত্রনাট্য লেখা হয়েছে বর্তমান সময়ের উপযোগী করে। চিত্রনাট্য লিখেছেন কাজী আনোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ মাসুমা মায়মুর। প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।
সিনেমাটির গল্পে দেখা যাবে, মৌ অভিনীত ‘সারা’ চরিত্রটি এক রাতে ঘটনাক্রমে মেয়ের গোপন প্রেমিককে হত্যা করে ফেলে।
পরে মেয়ের সম্মান রক্ষায় পুরো ঘটনা গোপন করার চেষ্টা করে সে। লাশ সরিয়ে ফেললেও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। নিখোঁজ ব্যক্তিকে ঘিরে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে পরিবার, অপরাধবোধ, আতঙ্ক ও রহস্যে গল্প এগিয়ে যায় টানটান উত্তেজনায়।
সিনেমাটি নিয়ে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, ‘অনেক দিন পর এমন একটি চরিত্রে কাজ করলাম, যেখানে আবেগ, ভয়, মানসিক টানাপোড়েন–সব একসঙ্গে রয়েছে। সারা চরিত্রটি খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। গল্পটা পড়েই মনে হয়েছে, দর্শক নতুন ধরনের কিছু দেখতে পাবেন।’
নির্মাতা আকা রেজা গালিব বলেন, ‘মূলত পারিবারিক আবহে গড়ে উঠলেও সারার সংসারে রয়েছে একটি জোরালো থ্রিলার উপাদান, যা দর্শকদের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেবে। সিনেমায় কিছু প্লট ও চরিত্রের নামে পরিবর্তন আনা হয়েছে। কারণ আমরা চেয়েছি গল্পটি সময়োপযোগী করে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করতে। পুরোটাই করা হয়েছে কাজী আনোয়ার হোসেনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে।’
মৌসহ সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন গাজী রাকায়েত, রাশেদ মামুন অপু, নাফিস আহমেদ, নাফিসা মালিয়াত প্রমি এবং ইহতেশাম আহমেদ টিংকু।
]]>