সাইফুল আলম বাবু (বিশেষ প্রতিনিধি): নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নের নন্দলালপুর ইন্ডাস্ট্রিজ এলাকায় অভিনব কায়দায় সরকারি গ্যাসের বিল বহুদিন যাবত মোস্তফা নামে ওরফে গ্যাস মোস্তফা আত্মসাৎ করে আসছে,গোপন সূত্রে জানা যায় এই গ্যাস মোস্তফা নিজস্ব গ্যাসের মিস্ত্রী দাঁড়া বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে গ্যাসের মিটার টেম্পারিং করে কৌশলে প্রতিমাসে ১৫ দিনের সরকারি তিতাস গ্যাস বিলের টাকা দক্ষ মিস্ত্রী দাঁড়া মাইনাস করে অর্ধেক বিল ইন্ডাস্ট্রিজ এর মালিকের সাথে সম্মিলিত হয়ে সরকারকে ফাঁকি দিচ্ছে ।
প্রতি মাসে ফতুল্লা, পাগলা, কুতুবপুর এলাকার প্রতিটি মিল ফ্যাক্টরি থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । গোপন সূত্রে জানা যায় অত্র এলাকার প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রিতে গ্যাস মোস্তফার সিন্ডিকেটের লোক নিয়োগ করা আছে এবং তাদের মাসিক বেতন ২০,০০০ টাকা। গ্যাস মোস্তফা এলাকার স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজনকে ম্যানেজ করে দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছেন গ্যাস চুরির এই ব্যবসা। অবৈধ ভাবে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।
স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরে তার এই অবৈধ টাকায় বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয় করেছেন তার মধ্যে নন্দলালপুর লিনা-কেমিকেলের পাশে পাঁচ শতাংশ জমি, নন্দলালপুর প্রাইম টেক্সটাইলের অপরদিকে ২৯ শতাংশ জমি ,বাবুল কেমিক্যাল নামে একটি প্রতিষ্ঠান ক্রয় করেন, আউয়াল সাহেবের মিলের অপরদিকে ৬ শতাংশ জমি সহ একটি মার্কেট ক্রয় করেন, নন্দলালপুর পুরান মসজিদ সংলগ্ন দুই দাগে ১১ শতাংশ ও ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন এবং নন্দলালপুর দক্ষিণ মহল্লায় ৩ কাঠা জায়গার উপরে চার তলা একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন।
এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় "নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক" গ্যাস মোস্তফা চাকরি অথবা ব্যবসা কোনটাই করেন না তাহলে সে কিভাবে এত টাকার সম্পদের মালিক হলো।
গত ১বছরে ১৫ কোটি টাকার জমি কিনেছে কালো টাকা সাদা করার জন্য, তাই এলাকাবাসীর জোর দাবি যত দ্রুত সম্ভব গ্যাস মোস্তফার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং গ্যাস মোস্তফাকে আইনের আওতায় এনে রাষ্ট্রীয় সম্পদ গ্যাস আত্মসাৎ এর অভিযোগে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা ।
ইতিমধ্যে গ্যাস মুস্তফার বিষয়ে দুদকে একটি অভিযোগ সংযুক্ত করা হয়েছ। গ্যাস আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ এ রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্ব আমার আপনার সবার।